আপনার সন্তানের জন্য কি চান?
সমৃদ্ধ সোনালী ভবিষ্যৎ, না কি বেকারত্বের বোঝা
আমরা লেখাপড়া করি কেন? লেখাপড়ার মূল উদ্দেশ্য মূলত: সুসভ্য নাগরিক হওয়া ও অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উন্নত জীবন পরিচালনা করা। অর্থ্যাৎ মানসম্পন্ন জীবনযাপনের জন্য কোন একটি পেশা/চাকরির জন্য নিজেকে তৈরি হতে হবে।
আমাদের দেশের প্রচলিত শিক্ষা কি শিক্ষার্থী প্রজন্মকে সেভাবে তৈরি করতে পারছে? নাকি এ শিক্ষা বেকার তৈরির কারখানা মাত্র? সে প্রশ্ন নিয়ে আজকের আলোচনা নয়। তবে প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার এ যুগে এখন সময় এসেছে জীবনের শুরু থেকেই প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীকে সুনির্দিষ্ট পেশার জন্য নিজেকে তৈরি করার। তা না হলে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতির বি.এ./এম.এ. পাস করে অফিস সহায়ক (পিয়ন) বা ক্লার্ক হওয়ার জন্য হাজার হাজার প্রার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করে দিনের পর দিন বছরের পর বছর বেকারত্বের ঘানি টানার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
গত ৪ মে তারিখে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। জিপিএ৫ বা গোল্ডেন জিপিএ পাওয়া বা পাস করার আনন্দ উচ্ছ্বাস পেরিয়ে এখন ভর্তির চিন্তা-দু:চিন্তায় ঘুরপাক খাচ্ছেন এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকগণ। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-অনার্স গ্রাজুয়েট বা বি.এ./এম.এ. পাস করানোর জন্য কলেজে ভর্তি করাতে পারেন। আবার লেখাপড়া শেষ করার সাথে সাথে চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করা কারিগরি শিক্ষার জন্য ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম) ইত্যাদি কোর্সেও ভর্তি হতে পারেন।
সরকার কারিগরি শিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করছে। ঢেলে সাজানো হচ্ছে এ খাতকে। দেশীয় ও বিশ্ববাজারে রয়েছে দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদা। এক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষার এনরোলমেন্ট ২০২০ সালের মধ্যে ২০% এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০% অর্জন করার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষাকে লক্ষ্যমূখী করে ঢেলে সাজানো হবে। আপনার সন্তানের উন্নত সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিন এখনই।
--দক্ষ হাতে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ--
প্রকৌশলী রবীন্দ্রনাথ মাহাত
প্রোগ্রাম অফিসার
স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রোজেক্ট (এসটিইপি)
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়